০১। ভালো একটি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা। যেমনঃ Avast, AVG, Symantic এবং তা নিয়মিত আপডেট এবং স্ক্যান করতে হবে।
লেখক মোঃমিঠুন ইসলাম
০২। স্পাইওয়্যার, ম্যালওয়্যার স্ক্যান সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা।
যেমনঃ XP তে Spybot, W7 এ Windows Befender
এবং তা নিয়মিত আপডেট এবং স্ক্যান করতে হবে।
০৩। হার্ডডিস্ককে ন্যূনতম ২৫শতাংশ খালি রাখতে হবে।
০৪। ইন্টারনেট থেকে উইন্ডোজ আপডেট ডাউনলোড করে ইন্সটল করা।
০৫। সপ্তাহে অন্তত ১ বার Disk Doctor দিযে Disk Check করা।এর মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারের পারফরমেন্স অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। XP- তে দুই ধরনের স্ক্যান করার অপশন রয়েছে।এর জন্য আপনারা *** TuneUp-Utilities Software টি ব্যবহার করতে পারেন। এই স্ক্যানের মাধ্যমে কম্পিউটার আপনার Hard Disk এর Bad Sector Recovery কাজ করবে।
০৬। সপ্তাহে অন্তত ১ বার Disk Cleanup করুন।
০৭। বিভিন্ন টিপস, প্রবন্ধ জানা স্বত্বেও কম্পিউটারে ভাইরাস/স্পাইওয়্যার প্রবেশ করেই। এর ফলে Scan করে ভাইরাস Virus Delete করা যায় ঠিকই, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বেশ কিছু সিস্টেম ফাইল
হারাতে হয়। তাই মাঝে মধ্যে উইন্ডোজ রিপেয়ার করতে হবে। এই সমস্যা এড়ানো জন্য আপনাকে
sfc করা উচিত। sfc এর কাজ ইনফেক্টেড ডেটাগুলো ডিলেট করে নতুন সিস্টেম ফাইল কপি করা। এতে
কম্পিউটারের পারপরমেন্স অনেক খানি বেড়ে যায়।
এ জন্য প্রথমে সিডি ড্রাইভে XP ডিস্ক প্রবেশ করান এবং Run ক্লিক করে cmd লিখে OK করুন।
এরপর টাইপ করুন sfc/scannow । এতে বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগবে।
০৮। স্টার্টআপ থেকে অকেজো প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করে দেওয়া।
০৯। সয়ংক্রিয় অপশনগুলো বন্ধ করে দিন। যেমনঃ উইন্ডোজ আপডেট, এন্টিভাইরাস আপডেট, উইন্ডোজ
মিডিয়া পেয়ার আপডেট, অন্যান্য প্রোগ্রামগুলোর আপডেট। এর জন্য Autoruns Software
টি ব্যবহার করতে পারেন।
১০। Windows Component থেকে অব্যহৃত প্রোগ্রাম গুলো বন্ধ করে দিন।
১১। উইন্ডোজ পারপরমেন্স থেকে অব্যবহৃত অপশনগুলো বাদ দিয়ে ব্যবহার করা।
System Properties > Advanced > Performance Setting > Adjust For Best Performance
এই অপশন থেকে শেষ তিনটি রেখে উপরের সবগুলো তুলে দিতে পারেন। এতে আপনার
কম্পিউটারে গতি অনেকাংশে বেড়ে যাবে। এর জন্য আপনারা
*** TuneUp-Utilities Software টি ব্যবহার করতে পারেন।
১৩। প্রোগ্রাম আনইন্সটল করার জন্য ভালো একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
যেমন: *** CCleaner,Revo Uninstaller
১৪। কম ব্যবহৃত প্রোগ্রামগুলোকে Portable করে ব্যবহার করুন।
১৫। নিয়মিত Temp, History, Temporary, Recent ফাইল ডিলেট করা।
1. c:/windows/temp
2. c:/Document and Settings/(Your User)/recent
3. c:/Document and Settings/(Your User)/local settings/temp
4. c:/Document and Settings/(Your User)/local settings/history
5. c:/Document and Settings/(Your User)/local settings/temporary
উপর্যুক্ত ফোন্ডারের ভেতর যে ফাইলগুলো আছে, সব মুছে ফেলুন।
তাছাড়া, *.htt, *.tmp ফরমেটের ফাইলগুলো ডিলেট করে ফেলুন।
Search - All Files and Folders - type (*.htt, *.tmp)-Enter.
সার্চের মাধ্যমে যে ফাইলগুলো পাবেন, সবগুলো ডিলেট করে ফেলুন।
১৬। কম্পিউটার যেন সরাসরি বন্ধ না হয় সে জন্য UPS ব্যবহার করা।
১৭। সিস্টেম ড্রাইভ যতটুকু সম্ভব খালি রাখার চেষ্টা করুন।
১৮। বছরে অন্তত ৯ বার ডিফ্রেগমেন্ট করুন।
এর জন্য *** TuneUp-Utilities Software টি ব্যবহার করতে পারেন।
১৯। উইন্ডোজ এক্সপির জন্য NTFS ফরমেট ব্যবহার করুন।
২০। বছরে অন্তত ৩ বার prefects ফোন্ডার খালি করুন।
c:\windows\prefetch অথবা Run > prefetch > Enter তার পর Delete করুন।
বেশি বেশি ডিলিট করলে PC Startup এ সময়ে বেশি নিবে।
২১। উইন্ডোজ রেজিষ্ট্রি থেকে অকেজো প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করে দিন। তবে অভিজ্ঞ কম্পিউটার ব্যবহারকারী
ছাড়া উইন্ডোজ রেজিষ্ট্রি মুডিফাই করবে না। এতে হিতবিপরীত হওয়ার সম্ভবনা থাকে।
২২। উইন্ডোজ এক্সপির জন্য অন্তত ৫১২ মেগাবাইটের র্যাম ব্যবহার করুন। Windows Vista হলে 2GB Ram ব্যবহার করুন। আমি মনে করি সব ধরনের কম্পিউটার এ Windows 7 ব্যবহার করাটাই উত্তম।
২৩। কম্পিউটারকে ধূলো-বালি থেকে মুক্ত রাখুন এবং নিয়মিত যত্ন নিন।
২৪। বায়োস থেকে অপ্রয়োজনীয় অপশনগুলো ডিজেবল করে দিন। অনাভিজ্ঞ হলে বায়োস সেটিং করবেন
না।
২৫| C:\WINDOWS\system32\1054 এ ফোল্ডারে কোন ডেটা থাকলে মুছে ফেলুন।
২৬। উইন্ডোজ সার্ভিস থেকে অপ্রয়োজনীয় সার্ভিসগুলো ডিজেবল করুন। অভিজ্ঞ না হলে ব্যবহার করবেন
না।
২৭। পেনড্রাইভ ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজ এক্সপোরার
ব্যবহার করুন। এক সংগে বেশি পেন ড্রাইভ লাগাবেন না।
এর জন্য *** Winrar অথবা 7Zip Software ব্যবহার করতে পারেন।
২৮। সার্চ অপশন ডিজেবল করে রাখতে পারেন। যদি আপনি ব্যবহার না করে থাকেন।
আমি আশা করবো আপনারা সকলেই আমার দেয়া টিপস গুলো অনুসরন করবেন এবং আপনার PC টিকে ভাল রাখবেন।